কেন আমেরিকা বা চীন পরস্পরকে কেউই প্রথমে অ্যাটাক করতে চায় না?

যদি আপনি পিতা হয়ে থাকেন তবে আপনি বুঝবেন, কিংবা যদি আপনি শিক্ষক হয়ে থাকেন অথবা আপনার আশে পাশে যদি বাচ্চা থাকে তবে এই জিনিস গুলো বুঝতে আপনার সহজ হবে।


চীন কিংবা আমেরিকা এরা হচ্ছে পরাশক্তি! বয়ান দিয়ে অন্যান্ন দেশে আতঙ্ক তৈরি করে রাখে। বাচ্চাদের দেখবেন চোখ রাঙ্গানি দিলেই সে আপনার কথা শুনবে, ভয় পাবে। কিন্তু যে বাচ্চাদের বাবা মা চোখ রাঙ্গানীর বদলে গায়ে হাত তোলে কিংবা মারে , সেই বাচ্চারা ২-১ দিনের মধ্যেই ধ্যেতা বিলাই হয়ে যায় মাইর আর তাদের গায়ে লাগে না।



উদাহরণঃ ফিলিস্তিন ২য় বিশ্ব যুদ্ধের পর থেকে শান্তিতে নেই। জন্ম হয়েই শিশুরা দেখছে গোলাবারুদ আর বুলেটের আওয়াজ। কুরবানীর ঈদের দিন নামাজ পরে ফেরার সময় আল আকসার সামনে থেকে ইসরাইলী পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে নিয়ে যাচ্ছিলো, আর ই গ্রেফতার হওয়া কিশোর রা হাসতেছিলো।


ভয় দেখিয়ে যা হাছিল করা যায়, জুদ্ধ করে তা হাসিল হয় না। জুদ্ধে তো উভয় দেশেরই ক্ষতি বিদ্ধমান।


আবার বাচ্চাদের কাছে চলে জাই, এরা যখন মারা মারি করে নালিশ নিয়ে আসে, তখন কথার প্যাচ খুলতে গিয়ে এক সময় জিজ্ঞেস করেই বসেন, "আগে কে মারছে" ! যেই আগে মাইর খায় বিচারের পাল্লাটা তার দিকেই ভারি হয়।


এরা আপনাকে বিভিন্ন কৌশলে বাধ্য করবে তাদের সাথে যুদ্ধ করতে , কিন্তু নিজেরা বিশ্বের কাছে, জাতিসংঘের কাছে মজলুম থাকার ভান ধরবে কারন অন্য সকল দেশের সহযোগিতা তাদের চাই, মানে পরাশক্তি হতে হলে চ্যালা প্যালা তো লাগবেই।

মন্তব্যসমূহ