পোস্টগুলি

ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

দুর্দান্ত মার্কেটিংয়ের কিছু উদাহরণ কী কী?

ইংরেজী কোরাতে এরকম একটি পোস্ট ছিল। সেটি আমি অনুসরণ করতাম। সেখানের একটি মার্কেটিংয়ের উদাহরণ দেখেছিলাম Sony এর mp3 player নিয়ে। ২০১৪ সালে Sony বাজারে W-series এর walkman বা MP3 player নিয়ে আসে। তারা দাবি করে যে এটি সম্পূর্ণরূপে পানিরোধী বা waterproof. কিন্তু বললেই তো হলো না। অনেক manufacturer ই বলে যে তাদের ডিভাইস পানিরোধী কিন্তু সাহস করে পানিতে চুবিয়ে পরীক্ষা করতে নারাজ। ক্রেতারা ডিভাইস কিনলেও পানিতে টেস্ট করতে ভয় পান। পাছে যদি ডিভাইসটা নষ্ট হয়ে যায়। টাকা গুলো সব গচ্চা যাবে। ক্রেতাদের এই সন্দেহ দূর করার জন্য সনি সেবার একটি অভিনব উপায় বের করে। তারা তাদের সেই পানিরোধী এমপি৩ প্লেয়ারটিকে বিক্রি করে পানি ভর্তি বোতলে করে। তাদেরকে বিজ্ঞাপনে বলতেও হয়নি যে, আমাদের ডিভাইসটি পানিতেও কাজ করে। এর চেয়ে চাক্ষুষ প্রমাণ আর হয় না।

কেন আমেরিকা বা চীন পরস্পরকে কেউই প্রথমে অ্যাটাক করতে চায় না?

যদি আপনি পিতা হয়ে থাকেন তবে আপনি বুঝবেন, কিংবা যদি আপনি শিক্ষক হয়ে থাকেন অথবা আপনার আশে পাশে যদি বাচ্চা থাকে তবে এই জিনিস গুলো বুঝতে আপনার সহজ হবে। চীন কিংবা আমেরিকা এরা হচ্ছে পরাশক্তি! বয়ান দিয়ে অন্যান্ন দেশে আতঙ্ক তৈরি করে রাখে। বাচ্চাদের দেখবেন চোখ রাঙ্গানি দিলেই সে আপনার কথা শুনবে, ভয় পাবে। কিন্তু যে বাচ্চাদের বাবা মা চোখ রাঙ্গানীর বদলে গায়ে হাত তোলে কিংবা মারে , সেই বাচ্চারা ২-১ দিনের মধ্যেই ধ্যেতা বিলাই হয়ে যায় মাইর আর তাদের গায়ে লাগে না। উদাহরণঃ ফিলিস্তিন ২য় বিশ্ব যুদ্ধের পর থেকে শান্তিতে নেই। জন্ম হয়েই শিশুরা দেখছে গোলাবারুদ আর বুলেটের আওয়াজ। কুরবানীর ঈদের দিন নামাজ পরে ফেরার সময় আল আকসার সামনে থেকে ইসরাইলী পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে নিয়ে যাচ্ছিলো, আর ই গ্রেফতার হওয়া কিশোর রা হাসতেছিলো। ভয় দেখিয়ে যা হাছিল করা যায়, জুদ্ধ করে তা হাসিল হয় না। জুদ্ধে তো উভয় দেশেরই ক্ষতি বিদ্ধমান। আবার বাচ্চাদের কাছে চলে জাই, এরা যখন মারা মারি করে নালিশ নিয়ে আসে, তখন কথার প্যাচ খুলতে গিয়ে এক সময় জিজ্ঞেস করেই বসেন, "আগে কে মারছে" ! যেই আগে মাইর খায় বিচারের পাল্লাটা তার দিকেই ভারি হয়। এরা আপনা...

বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া কি ভারতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন?

ছবি
বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ভারতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তিনি বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী ও মুসলিম বিশ্বের ২য় মহিলা প্রধানমন্ত্রী। আসুন ওনার সংক্ষিপ্ত জীবনী জেনে আসি। বেগম খালেদা জিয়ার জন্মগত নাম "খালেদা খানম পুতুল"। তিনি ১৫ ই আগস্ট ১৯৪৫ (জন্ম তারিখ নিয়ে বিতর্ক আছে) সালে ব্রিটিশ ভারতের অবিভক্ত দিনাজপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।এটি বর্তমানে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলায় অবস্থিত। দেশভাগের পর তিনি পরিবারসহ বাংলাদেশে চলে আসেন।বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম রাজনৈতিক দল বিএনপির চেয়ারপার্সন হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।উনার স্বামী ছিলেন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান। তিনি ১৯৯১-১৯৯৬ ও ২০০১-২০০৬ মেয়াদে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।এছাড়া ১৯৯৬-২০০১ ও ২০০৯-২০১৪ এই দুই মেয়াদে প্রধান বিরোধী দলীয় নেতা ছিলেন।বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন আজ অবধি।

Business and Finance. Crypto Currency. financial investment. Banking system

 Business and Finance. Crypto Currency.   Business and Finance. Crypto Currency. financial investment. Banking system 

আমি কিভাবে নিজেকে জ্ঞানী করতে পারি ?

বুদ্ধিমত্তা একটি জটিল ধারণা যা সমস্যা সমাধান, সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনা, সৃজনশীলতা এবং আরও অনেক কিছু সহ বিভিন্ন ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করে। যদিও আরও বুদ্ধিমান হওয়ার কোনও নিশ্চয়তাপূর্ণ উপায় নেই, সেখানে বেশ কয়েকটি কৌশল রয়েছে যা আপনি আপনার জ্ঞানীয় ক্ষমতা বাড়াতে এবং আপনার জ্ঞানের ভিত্তি প্রসারিত করার চেষ্টা করতে পারেন। এখানে কয়েকটি পরামর্শ: ব্যাপকভাবে পড়ুন: পড়া আপনার দিগন্ত প্রসারিত করার এবং নতুন জিনিস শেখার একটি চমৎকার উপায়। ফিকশন, নন-ফিকশন এবং নিউজ আর্টিকেল সহ বিভিন্ন ধরণের জেনার পড়ার চেষ্টা করুন, নিজেকে বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ এবং ধারণার সাথে প্রকাশ করতে।  নতুন দক্ষতা শিখুন: নতুন কার্যকলাপে জড়িত হওয়া বা নতুন দক্ষতা শেখা আপনাকে আপনার জ্ঞানীয় ক্ষমতা বিকাশে সহায়তা করতে পারে। আপনার কমফোর্ট জোনের বাইরে কিছু চেষ্টা করার কথা বিবেচনা করুন, যেমন একটি নতুন ভাষা শেখা বা একটি বাদ্যযন্ত্র গ্রহণ করা।  সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনার অনুশীলন করুন: সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনার মধ্যে তথ্য বিশ্লেষণ করা এবং জ্ঞাত সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য প্রমাণ মূল্যায়ন করা জড়িত। আপনি অনুমানকে প্রশ্ন করে, যুক্তির ম...